ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৬


১৪ সেলাই নিয়ে খেলছেন মাশরাফি


১৩ জানুয়ারী ২০২০ ১৪:৩২

আপডেট:
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:২৫

বাঁহাতের তালুতে ১৪টি সেলাই। কব্জি থেকে তালু পর্যন্ত মুড়ে ফেলা হয়েছে ব্যান্ডেজে। এমন ক্ষত-বিক্ষত হাত নিয়ে এলিমিনেটর ম্যাচের আগে অনুশীলন করলেন যমুনা ব্যাংক ঢাকা প্লাটুন দলপতি মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা।

অনুশীলন শেষে অনুমিতভাবেই ম্যাচে নেমে পড়লেন বারবার ইনজুরি যুদ্ধে জয়ী অভিজ্ঞ এই পেসার। ঢাকা প্লাটুন টিম ম্যানেজমেন্ট সুত্রে যতটুকু জানা গেছে, এই হাত নিয়ে মাশরাফি খেলুক সেটা তারা চাইছিলেন না।

কিন্তু ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনা টিম ম্যানেজমেন্টের কথা শোনেননি প্লাটুন দলপতি। নেমে পড়েছেন দলকে সেমি ফাইনালে তোলার মিশনে।

কারণটিও যে সঙ্গত। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু বিপিএলে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের কাছে এই ম্যাচ হারলেই তার দলের টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় ঘণ্টা বেজে যাবে।

অবশ্য গতকাল বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনা করে তিনি যদি খেলতে চান সেই ব্যবস্থা মেডিক্যাল বিভাগ করে দেবে। সেটাই করা হয়েছে।

KSRM Bangabandhu Tunnel
বিজ্ঞাপন
প্রসঙ্গত, শনিবার (১১ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু বিপিএলে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে ফিল্ডিংয়ের সময় বাঁ হাতের তালুতে মারাত্মক চোট পান যমুনা ব্যাংক ঢাকা প্লাটুন দম্পতি মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। সেই চোট প্রশমণে তার ক্ষতে দিতে হয়েছে ১৪ টি সেলাই।

ঘটনার সূত্রপাত ওই ম্যাচের খুলনার ব্যাটিং ইনিংসের একাদশতম ওভারে। মেহেদি হাসানের ঝুলিয়ে দেওয়া বলটি কাভারের ওপর দিয়ে সীমানা পাড় করতে চেয়েছিলেন রাইলি রুশো। সেখানে ফিল্ডিং করছিলেন যমুনা ব্যাংক ঢাকা প্লাটুন দলপতি মাশরাফি বিন মোর্ত্তজা। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলটি তালুবন্দি করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুত গতির বল তার মুঠো গলে বেরিয়ে যায়। বলের আঘাতে মাশরাফি কিছুক্ষণ মাঠেই শুয়ে থাকেন। উঠে যখন হাতের দিকে তাকালেন দেখলেন রক্ত ঝড়ছে।

দলের ফিজিও তাৎক্ষণিক মাঠে এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে যান ঢাকা প্লাটুন দলপতিকে। এরপর ইনিংসের বাকি সময় আর মাঠে ফেরেননি ম্যাশ।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে মাশরাফির হাতে সেলাইয়ের খবরটি নিশ্চিত করেন সতীর্থ এনামুল হক বিজয়।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে লিগ পর্বের শেষ ম্যাচে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ২০৫ রান সংগ্রহ করে মাশরাফির ঢাকা। ২০৬ রানের পাহারসম লক্ষ্য হেসে খেলেই ১১ বল হাতে রেখে দুই উইকেটের খরচায় জিতে নেয় খুলনা টাইগার্স।