ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে জুন ২০১৯, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬


রাব্বানীর যেসব বাণী ছাত্রলীগ কর্মীদের ধারণা বদলে দিয়েছে!


২৩ নভেম্বর ২০১৮ ০১:৫৩

আপডেট:
২৩ নভেম্বর ২০১৮ ০১:৫৭

রাব্বানীর যেসব বাণী ছাত্রলীগ কর্মীদের ধারণা বদলে দিয়েছে!

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী’র বিভিন্ন সময় দেয়া বক্তব্য ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে নেতা-কর্মী ও সাধারণ ছাত্রদের মাঝে। বদলে দিয়েছে বদ্ধমূল চিন্তা চেতনা। যে বাণী জাগিয়েছে রাজনীতির মূল চেতনা। গোলাম রাব্বানী দিন দিন ছাত্রলীগ নেতা থেকে হয়ে উঠছেন সকল মতের ছাত্রদের নেতা। যাকে পছন্দ করছেন সকল দলের সমর্থকরা। এভাবেই প্রসার করছেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ। মানবিক এই ছাত্রনেতার কারনে গত দুই মাসে সাধারণ ছাত্ররা সহজেই তাদের দাবী পূরণ করতে পেরেছে।

দেখে নেয়া যাক বিভিন্ন সময়ে ক্যাম্পাসটাইমসে প্রকাশিত তার বক্তব্যসমূহ...

১.”ছাত্রলীগ হবে ইতিবাচকতার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর।”

২.”আস্থা-বিশ্বাস-ভালোবাসার সমার্থক, ছাত্রলীগের অভিভাবক, দেশরত্ন শেখ হাসিনা।”

৩.”আপোষহীন সংগ্রামে নীতি-আদর্শ থাকলে অটল, হবেই হবে জয়;  দেশরত্ন শেখ হাসিনার আদর্শিক কর্মী, এটাই গর্বের বড় পরিচয়।”

৪.”এদেশের ছাত্রসমাজ ছাত্রলীগকেই গ্রহণ করবে, ধারণ করবে, এবং ছাত্রলীগের দেখানো আদর্শিক পথে চলবে,ইনশাআল্লাহ।”

৫.”সময়ের সাহসী সন্তানরাই ছাত্রলীগ করে।”

৬.”বস বা লিডার সম্বোধনে কিঞ্চিৎ বিব্রত হই;হাসি মুখে ‘ভাই’ ডাকলে বুকে জড়াইয়া লই।”

৭.”আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন ছাত্রলীগ হয়ে উঠবে এদেশের অসহায়-দুস্থ-পীড়িত মানুষের আস্থার ভরসা আর পরম নির্ভরতার মূর্ত প্রতীক।”

৮.”যে ছাত্রলীগ বুকের তাজা রক্ত দিয়ে স্বাধীনতা এনেছে, সেই স্বাধীনতার মর্যাদা রক্ষাও করবে, ইনশাল্লাহ।”

৯.”লেখাপড়া আবশ্যিক,ছাত্ররাজনীতি ঐচ্ছিক।”

১০.”প্রাণপ্রিয় প্রতিষ্ঠান  বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হোক আরো অধিক মানবিক ও ছাত্রবান্ধব।যেখানেই মানবিক বিপর্যয়, সেখানেই পাশে দাঁড়াক ছাত্রলীগের  মুজিব সেনারা।”

১১.”আমরা বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রকৃত ভ্যানগার্ড হিসেবে তাঁর প্রাণের প্রিয় গরীব-দু:খী মানুষের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করে যাবো।”

১২.”বড় বড় ব্যানার-পোস্টার সাটিঁয়ে, মাইক নিয়ে ‘আমি নেতা’ বলে চিৎকার করে নেতা হওয়া যায় না, আদর্শের তরে নিরলস শ্রম দিলে, মানুষের জন্য কাজ করে গেলে মানুষ-ই চিৎকার করে বলবে, ‘ আপনি নেতা’।”

১৩.”মানুষ মানুষের জন্য। অসহায় কোনো মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছি এতেই ভালো লাগছে। আর বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সব সময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াবে ও সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিবে।”

১৪.”শো-অফের রাজনীতিতে আদর্শিক ভাইকে খুশি করতে ফেসবুকেই ভাই এর ছবিটা থাক। তবে মনের চিত্রপটে বাবা-মা’র ছবিটাই শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফ্রেমে পরম যত্নে রেখো!”

১৫.”রাজনীতি করি মানুষের জন্য, ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে এড়িয়ে যাবার সুযোগ থাকলেও আমি স্বচ্ছতা আর জবাবদিহিতায় বিশ্বাসী!”

১৬.”ছাত্রলীগে কোন প্রকার ভাইলীগ চলবে না।”

১৭.”আমার কাছে শেখ হাসিনা মানে, আশীর্বাদ, বাঙালীর শান্তি-সমৃদ্ধি-স্বপ্নের নাম, শেখ হাসিনা মানে অসাধ্য সাধনের দু:সাহস দেখানো আপোষহীন নেত্রী!”

১৮.”বঞ্চনার অভিমান-হতাশা ভুলে, গ্রুপিং ভেদাভেদ পায়ে মাড়িয়ে, ব্যক্তিক স্বার্থ উপেক্ষা করে, ব্যর্থতার জরা-গ্লানি ঝেড়ে, শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির মূলমন্ত্র জপে, ঐক্যবদ্ধ ছাত্রলীগ আদর্শিক পিতা, বঙ্গবন্ধু মুজিবের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে, দেশরত্ন শেখ হাসিনার চলার পথকে মসৃণ রাখতে বদ্ধ পরিকর।”

১৯.”গ্রুপিং হবে কে কার চেয়ে ভাল কাজ করতে পারে, দেশ ও দলের জন্য, নিজ এলাকার জন্য,স্বীয় পক্ষের নেতা-কর্মী-সমর্থকদের কল্যাণে কে বেশি অবদান রাখতে পারে সেই নিমিত্তে! রাজনীতিতে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ এর জন্য আর কি চাই!”

২০.”আমি বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ পৃথিবীর বৃহত্তম একান্নবর্তী পরিবার। এই পরিবারের সদস্য হিসেবে দীর্ঘ একযুগ হাসি-আনন্দে, সুখে-দু:খে একসাথে আছি। চলার পথে বিভিন্ন সময়ে মান-অভিমান, ভুল বোঝাবুঝি মতের অনৈক্য হলেও দিনশেষে আমাদের এক সুতোয় বেঁধে অবিচ্ছেদ্য রেখেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে গর্বের পরিচয়, শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির নির্ভার আস্থার পতাকা।”

২১.”বড় পদ-পদবী কাউকে বড় নেতা বানায় না, হৃদয় ভরা ভালোবাসা, কর্মীবান্ধব মন, উন্নত-ইতিবাচক মানসিকতা নিয়ে আদর্শের তরে নি:স্বার্থ কাজ করে গেলে পদ পদবী ছাড়াই হাজারো তৃণমূল কর্মী-লাখো জনসাধারণ এর অন্তরের মণিকোঠায় ‘নেতা’ হিসেবেই পরম শ্রদ্ধার আসনে ঠাই মেলে। সে নেতার কোন এক্সপায়ার ডেট থাকে না!”

২২.”আমি গর্ব করে বলি, আমি ছাত্রলীগ এর একজন কর্মী, মুজিব আদর্শে অটল, শেখ হাসিনার ভ্যানগার্ড! চলার পথে কোন ভালো কাজ করার, কোন অসহায়ের সেবা করার সুযোগ পেলে ভেবে নেই, নিশ্চয় আল্লাহ্‌ তাঁর প্রিয় বান্দা হিসেবে আমাকে এই সুযোগ দিয়েছেন, আর চেষ্টা করি, সে অভিজ্ঞতা সবার সাথে শেয়ার করতে।”

২৩.বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর যৌবনের উত্তাপ দিয়ে গড়া প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ব্যানারে ৫৬ হাজার বর্গমাইলব্যাপী যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্বেচ্ছায় স্বপ্রনোদিত হয়ে শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির পতাকাতলে আদর্শিক চর্চা করলে, সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে চাইলে যদি কেউ তাতে প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ ভাবে বাঁধা প্রদান কিংবা নিরুৎসাহিত করার সামান্যতম অপচেষ্টা করে তাকে/তাদেরকে কড়া জবাব দেয়া, প্রতিহত করা কিংবা সংশ্লিষ্ট ইউনিটের সাংগঠনিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে যেকোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নৈতিক দায়িত্ব!”

২৪.”বঙ্গবন্ধুর আদর্শের চর্চা করি, সুতরাং ন্যায্য বললে সবার কথাই শুনবো।”

২৫.”‘একমুখী’ মানে আমি কেবল বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ফলো করতে চাই, এবং যারা সে আদর্শের জন্য কাজ করবে তাদের পাশে থাকতে চাই।”

২৬.”একদিন গণমানুষের পরম আস্থা-নির্ভরতার সমার্থক হবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।”

২৭.”ইতিহাস সাক্ষী, শেখ হাসিনার সুবিবেচনাপ্রসূত রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত কখনো ভুল হয়না, বদলও হয় না!”

২৮.”রাজনীতি যদি কোন খেলা হয়, তবে সে খেলায় সর্বকালের সেরা ও চৌকশ কোচদের সংক্ষিপ্ত তালিকায় প্রজ্জলিত নাম শেখ হাসিনা।”

২৯.”ভোররাতে ওহী নিয়ে এসে বানানো নেতা দিয়ে প্রকৃত আদর্শ চর্চা, দল বা দেশের উন্নতি বা গণমানুষের ভাগ্য বদল সম্ভব নয়। পদ কভু নেতাকে বড় করে না, নেতাই স্বীয় কর্মে পদকে মহিমান্বিত করে।”

৩০.”আইনের ফাঁক গলে ১০০ অপরাধী পার পেয়ে যাক, তবে ষড়যন্ত্র দুরভিসন্ধির শিকার হয়ে একজন নিরপরাধীও যেন শাস্তি না পায়।রাষ্ট্রযন্ত্রের কোলে পরম নির্ভার নিরাপদ থাকুক দেশের প্রতিটি নাগরিক।”

৩১.”একটি সভ্য রাষ্ট্রকে অসভ্য-আদিম-বর্বর রাষ্ট্রে পরিণত করতে কেবল বিচারহীনতার অপসংস্কৃতি-ই যথেষ্ট।”

৩২.”জীবনের হিসেব-নিকেশে আমরা দুই শ্রেণীতে বিভক্ত, সুবিধাবাদী ও বোকা শ্রেণী!”

৩৩.”কেউ আমার দূরের নও,সবে কাছের  সম প্রিয়; আমরা ছাত্রলীগের কর্মী, পরস্পর আত্মার আত্মীয়!”

৩৪.”শেখ হাসিনার কর্মী মোরা,এই হোক বড় পরিচয়; শিক্ষা শান্তি প্রগতি মন্ত্রে সব ভালোবেসে করি জয়।”

৩৫.”ভুলে যেওনা, সৃষ্টিকর্তা তোমাকে এ ধরায় পাঠিয়েছেন হাসিমুখে কথা বলতে, ভাল আচরণ করতে এবং অন্যের মুখে হাসি ফুটাতে।”

৩৬.”আজ আপনি স্বার্থান্ধ হয়ে একজনকে কষ্ট দিলেন, বিপদে ফেললেন, সামর্থ্যবান হয়েও সাহায্য করলেন না, অবিনশ্বর পরপার বাদ দিন, এই নশ্বর ধরণীতেই আপনি তার অনুরূপ ফিডব্যাক পেয়ে যাবেন!”

৩৭.”ব্যর্থতার হতাশা ঝেড়ে ফেলে দ্বিগুণ উদ্যমে লক্ষ্যে এগিয়ে যাবার নামই জীবন!”

৩৮.”নেতৃত্ব তো সহজাত। কঠোর শ্রম, অধ্যবসায়, আদর্শের জন্য আত্মত্যাগ, কর্মী ও জনগণ এর তরে ভালোবাসা সে নেতৃত্বগুণকে শানিত করে।”

৩৯.”ডিসেম্বর মাস পাকি পেতাত্মাদের পুরনো ক্ষতে লবন লাগানোর সময়। এই সময়ে পেতাত্মাগুলো এদেশীয় দোসরদের শরীরে ভর করায় উহারা বেশ উত্তেজিত থাকে এবং কারণে অকারণে অযাচিত ও বিতর্কিত প্রলাপ বকে মানুষের শান্তি হারাম করে!”

৪০.”এদেশের অভিধানে “অরাজনৈতিক” বলে কোন শব্দ নেই। মতাদর্শের দিক থেকে “নিরপেক্ষ” কোন মানুষ নেই! ইচ এন এভরিওয়ান ইজ “পলিটিক্যাল” হেয়ার!”

৪১.”ফেসবুকে, গলিপথে-মেঠোপথে, মাঝপথে-রাজপথে, মিটিং এ-মিছিলে, প্রতিবাদে-প্রতিরোধে, হাসি-আনন্দে, সময়ে-অসময়ে ছাত্রলীগ পরিবারের একজন সদস্যের ফেস দেখলেই বুকে কেমন জানি শান্তি লাগে! এই পরিবারের প্রতিটি নেতা-কর্মী-সমর্থক যে আমার আত্মার আত্মীয়, পরম আপনজন!”

৪২.”যারা কারণে-অকারণে আপনার পিছনে লেগে থাকে, বেহুদা হিংসা করে, অহেতুক শত্রু মনে করে, তাদের অনিষ্ঠ বা ধ্বংস না চেয়ে বরং দীর্ঘায়ু কামনা করুন, যেন তারা আপনার অর্জিত সবগুলো সাফল্য নিজ চোখে দেখতে পারে!”

৪৩.”মুজিবীয় আদর্শের স্বর্ণালী সূচে গেঁথে, শিক্ষা-শান্তি-প্রগতির মজবুত সুতোর নিখাদ বুননে, “ছাত্রলীগ” নামক সেলাই মেশিনটি লাখো নেতা-কর্মীকে করেছে এক ও অভিন্ন।