ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৬


শেকৃবি ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন যশোরের আদিব মাহমুদ


১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৪:৩৬

আপডেট:
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:৩৫

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (শেকৃবি) শাখা ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রায় দুই বছর পর ২২২ সদস্যবিশিষ্ট এ কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।

শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়।

এতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হলেন যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার ২ নং ওয়ার্ডের কৃতিসন্তান আদিব মাহমুদ। 

আদিব মাহমুদ ১৯৯৮ সালের ৩০ নভেম্বর যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার থানাপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। চৌগাছা শাহাদাৎ পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হতে ২০১৩ সালে গোল্ডেন এ+ পান তিনি এবং বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ পাবলিক কলেজ থেকে এইস এস সি তে ২০১৫ সালে এ+ পান। বর্তমানে তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি অনুষদে অধ্যয়নরত।

আদিব মাহমুদ ছাত্র-জীবনের শুরু থেকেই দেশের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত। এই মেধাবী ছাত্র, ছাত্রজীবন থেকেই মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের বিভিন্ন সংগঠনের সাথে জড়িত।২০১৮ সালে শেকৃবি 'বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগার ছাত্র ফেডারেশন ' ইউনিটের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয় এবং চৌগাছার সামাজিক সংগঠন
'চৌগাছা ছাত্র কল্যান সমিতি-ঢাকার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করছেন।
২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে তিনি নৌকার প্রার্থী মেজর নাসির উদ্দিনের পক্ষে প্রাচারনার কাজ করেন।তার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সক্রিয় ভাবে জড়িত রয়েছেন।

আদিব মাহমুদ চৌগাছার বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী শিল্পপতি হাজী মোঃলিয়াকত হোসেনের ছোট ছেলে।তার বড় বোন চৌগাছা উপজেলার গর্ব, তিনি এখন ঢাকা মেট্রো পলিটন সেশন জজ কোর্টের যুগ্ম জজ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

আদিব মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঐতিহ্যবাহী সংগঠন। এ বৃহৎ সংগঠনের ক্ষুদ্র কর্মী হতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করি। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে ধন্যবাদ। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞ ড.মোস্তফা কামাল ভাইয়ের প্রতি যার কাছ থেকে আমার রাজনীতি শেখা ও এস.এম মাসুদুর রহমান মিঠু ভাইয়ের প্রতি। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে এবং যত বাধাই আসুক দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপার বিশ্বস্ত ভ্যানগার্ড হয়ে আজীবন নৌকার পক্ষে কাজ করে যেতে চাই।