ঢাকা শুক্রবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০ই ফাল্গুন ১৪২৬


পুলিশ পিটিয়ে নতুন কাউন্সিলর শওকত কারাগারে


৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:০৫

আপডেট:
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৩:০৯

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগ সমর্থিত নবনির্বাচিত কাউন্সিলর সাখাওয়াত হোসেন শওকতকে পুলিশ কর্মকর্তা মারধরের মামলায় গ্রেপ্তারের পর আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) এসআই আবদুল মজিদকে মারধরের অভিযোগে গত সোমবার রাতে কাউন্সিলর শওকতকে সাত সহযোগীসহ গ্রেপ্তার করে খিলগাঁও থানা পুলিশ। মামলা দায়েরের পর গতকাল মঙ্গলবার আদালতে তোলা হলে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে শওকতকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

এদিকে, ডিএনসিসির ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টুর বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীর আলমের সমর্থকদের বাসা-বাড়িতে হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বাড্ডা থানায় একটি মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা যায়। কাউন্সিলর শওকত ২৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগ রয়েছে খিলগাঁও এলাকায়। গত শনিবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার তিন দিনের মাথায় পুলিশের মামলায় গ্রেপ্তার হলেন তিনি।

খিলগাঁও থানার ওসি মশিউর রহমান  জানান, পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল মজিদকে মারধরের মামলায় গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন শওকতের সহযোগী মারুফুর রহমান ইমন, ওয়ালিদ হোসেন আহাদ, জুনায়েদ হোসেন ফারহান, মিন্টু গাজী, মোখলেছুর রহমান, আলমগীর হোসেন সরদার ও মোস্তাফিজুর রহমান মন্টু।

গতকাল শওকতের জামিন শুনানির সময় আদালতে উপস্থিত থাকা এক আইনজীবী   জানান, খিলগাঁও থানায় পুলিশ কর্মকর্তার করা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানিয়ে তাদের আদালতে হাজির করেন।

আসামিপক্ষে আইনজীবী কাজী নজীবুল্লাহ হিরু জামিন শুনানি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসআই আবদুল মজিদের করা মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, সোমবার সন্ধ্যায় খিলগাঁও বি-ব্লকের পল্লীমা সংসদের সামনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কাউন্সিলর শওকত ও তার সহযোগীরা বাদীকে মারধর করে।

তাকে কিলঘুষি দিয়ে জখম করে এবং পুলিশ পরিচয় পাওয়ার পরও মারধর অব্যাহত রাখে। তার মোবাইল ফোন ও আইডি কার্ডও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা।

বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম গতকাল রাতে  বলেন, বিদ্রোহী প্রার্থী কাউন্সিলর আইয়ুব আনসার মিন্টু নির্বাচিত হয়ে আমার কর্মী সমর্থকদের বাসা-বাড়িতে হামলা ও লুটপাট চালায়।

এ ঘটনায় কর্মী নিয়ামত বাদী হয়ে বাড্ডা থানায় সোমবার একটি মামলা করে। ঘটনার পর পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে বিচারক তাদের জামিন না দিয়ে জেলহাজতে পাঠায়।