ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ১৯শে সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ই আশ্বিন ১৪২৬


নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে হরিরামপুরে গণস্বাক্ষর


৮ জুন ২০১৯ ১২:৫৫

আপডেট:
১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১০:৪৫

পদ্মা ভাঙ্গন থামাও, হরিরামপুর বাঁচাও’ আন্দোলন কারীদের পক্ষ থেকে হরিরামপুর সদর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ  এবং নির্মিত বাঁধের বাইরে পদ্মা ভাঙ্গনরত রামকৃষ্ণপুর, বাহাদুরপুর, গোপীনাথপুর, কাঞ্চনপুর, ধুলসূরা এলাকায় দ্রুত বাঁধ সম্প্রসারণের দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে উপজেলার বয়ড়া ইউপি এবং আন্ধারমানিক বাজারঘাটের মধ্যবর্তী পদ্মারপাড় কড়ইতলায় এ কর্মসূচি পালন করেন পদ্মা ভাঙ্গন থামাও, হরিরামপুর বাঁচাও’ আন্দোলন কারী সহ জনপ্রতিনিধি, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া ভুক্তভোগী ছাড়াও বিভিন্ন পেশার কয়েক হাজার জনগণ।

 

এসময় ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক রাসেল হোসেন ,জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজিদুল ইসলাম ও হরিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মাসুদুর রহমান মাসুদ এর সঞ্চালনায়, কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন প্রবীণ শিক্ষক ও নাট্যকার হরিপদ সূত্রধর, এই কর্মসূচীর প্রধান সমন্বয়ক শাহাবুদ্দিন আহমেদ চঞ্চল, পদ্মা ভাঙ্গন থামাও, হরিরামপুর বাঁচাও’ নামক ফেসবুক পেজের এডমিন এবং এই কর্মসূচীর সমন্বয়কারী সদস্য মুনসী সোহাগ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজিম খান, মানিকগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক আবিদ হাসান বিপ্লব, হরিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম হাজারী শামীম, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা বিল্লাল হোসেন, ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য আকবর রনি, সংগীতশিল্পী ও গীতিকার সেলিম ইসমাইল, সরকারি দেবেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের প্রভাষক সুজন রুহুল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি লুৎফর রহমান, যুবলীগ নেতা কাওছার রহমান, বাবু মেম্বার, জাহাঙ্গীর হোসেন প্রমুখ। ওছাড়া উক্ত কর্মসূচিতে একাত্বতা প্রকাশ করে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন হরিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দেওয়ান সাইদুর রহমান।

 

তিনি একই সাথে পদ্মা ভাঙ্গনরোধে বাঁধ নির্মাণ এবং ড্রেজার দিয়ে পদ্মার মাঝখানের চর কেটে দেয়ার পক্ষে মতামত ব্যক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা হরিরামপুর সদর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা-কে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করার পাশাপাশি, নির্মিত বাঁধের বাইরে পদ্মা ভাঙ্গনরত এলাকায় দ্রুত বাঁধ সম্প্রসারণের দাবি, এবং হরিরামপুর উপজেলা থেকে তাদের বাড়িঘরগুলো কিভাবে এই সর্বনাশা পদ্মায় কেড়ে নিয়েছে সেই দু:খ দুর্দশার গল্প তুলে ধরেন এবং হরিরামপুর উপজেলার পদ্মানদী থেকে চিরকালের জন্য ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন বন্ধ করার জন্য সবাইকে একজোট হয়ে সেই বালুখেকোদের সম্মুখীন হতে বলেন। অন্যান্য বক্তারা আরো বলেন, পদ্মার চর সরকারের পক্ষে ডিসি মহোদয় দেখভাল করেন।

পদ্মা ভাঙ্গনরোধে বাঁধও সরকার নির্মাণ করবেন। কোন ব্যক্তির পক্ষে একা এ বাঁধ নির্মাণ সম্ভব না। তাই পদ্মার চর ড্রেজার দিয়ে কেটে বালু উত্তোলন করলে তা পদ্মা ভাঙ্গনের জন্য ভালো হবে না ক্ষতিকর হবে তা নির্ধারণের এখতিয়ার একমাত্র সরকারের। সরকার যদি নদী বিশেষজ্ঞ, পাউবোর প্রকৌশলী দ্বারা এ সংক্রান্ত বিষয়ে সার্ভে করে তারপর সিদ্ধান্ত নেয় তবে সেটা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।

বক্তারা অবৈধ ও অপরিকল্পিত ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে ব্যক্তি স্বার্থে বালু উত্তোলনের তীব্র বিরোধিতা করেন। এছাড়া উক্ত কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য হায়দার আলী তারেক, শামীমা চায়না, মহিদুর রহমান মহিদ, পবিত্র শাখারী, আবুল বাশার সবুজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক শাহিনুর রহমান জলিল, বন্ধুমঞ্চের সভাপতি পলাশ কুমার দাস,সাধারন সম্পাদক মবজেল হোসেন শাওন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের কর্মসূচি ও পরিকল্পনা বিষয়ক সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন , ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র মনির হোসেন, বর্তমান ছাত্র হুসাইন ইমরান, শেখ রুবেল প্রমুখ।