ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে জুন ২০১৯, ৬ই আষাঢ় ১৪২৬


প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের নির্দেশনা আইজিপির কাছে, শাস্তির মুখে ১৫৩ পুলিশ


২১ মে ২০১৯ ১৪:২১

আপডেট:
২০ জুন ২০১৯ ০১:২৩

অভিযোগ আছে, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মাছ ব্যবসায়ী কামরুজ্জামান ভূঁইয়াকে গত ১৮ জানুয়ারি ধরে নিয়ে যায় থানাপুলিশ। এরপর লাখ টাকা না দিলে চাঁদাবাজি ও ছিনতাই মামলায় ‘জেলের ভাত খাওয়ানোর’ হুমকি দেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোজাম্মেল হক। বাধ্য হয়ে ১ লাখ টাকা তার হাতে তুলে দিয়ে ছাড়া পান কামরুজ্জামান।

পরে তিনি এসআইর বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে। তারপর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। বিষয়টি জানানো হয় পুলিশ সদর দপ্তরকেও। তবে এখনো মোজাম্মেলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

কক্সবাজারের মহেশখালী থানা এলাকার বাসিন্দা মরিয়ম বেগম ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অভিযোগ করেন থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাসের বিরুদ্ধে। অভিযোগে বলা হয়, টাকা না পেয়ে ওসি প্রায় ১০ লাখ টাকার লবণ লুট করে নিয়ে গেছেন। মন্ত্রণালয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এসআই মোজাম্মেল হক, ওসি প্রদীপের মতো বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ ওঠা ১৫৩ পুলিশের বিরুদ্ধে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও কারও বিরুদ্ধেই নেওয়া হয়নি। কনস্টেবল থেকে শুরু করে পুলিশ সুপার (এসপি) পর্যন্ত পুলিশের এসব সদস্যের কারও কারও বিরুদ্ধে খুনের আসামিকে না ধরা এবং টাকা খেয়ে হত্যা মামলার তদন্ত অন্যদিকে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও আছে। তাদের মধ্যে তিনজন এসপি এবং সাতজন অতিরিক্ত এসপিও রয়েছেন। তিন এসপির বিরুদ্ধে ঘুষের বিনিময়ে পোস্টিং, নারী সহকর্মীদের যৌন হয়রানি ও অর্থের বিনিময়ে সন্ত্রাসীদের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

জানতে চাইলে তাদের একজন ময়মনসিংহের তৎকালীন এসপি (বর্তমানে কুমিল্লা জেলার এসপি) নুরুল ইসলাম দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘ময়মনসিংহে দায়িত্ব পালনকালে দেখেছি আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে বিরোধ ছিল।

একসময় মারামারিতে যুবলীগ নামধারী এক সন্ত্রাসী মারা যান। সে সময় পুলিশ অ্যাকশনে গেলে একটি গ্রুপ আমার পেছনে লাগে। ওই গ্রুপটি আমার নামে মিথ্যা একটি অভিযোগ করে। স্বার্থে আঘাত লাগলেই তারা আমাদের ঘায়েল করার চেষ্টা করে। চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলতে পারি, চাকরি জীবনে কখনো সন্ত্রাসী থেকে শুরু করে কোনো অপরাধীর পক্ষ নিইনি।’ তিনি বলেন, ‘সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গেই দায়িত্ব পালন করেছি; করেও যাচ্ছি। কোনো অপরাধীর কাছে কখনো মাথা নত করিনি; করবও না। দেশের জন্য কাজ করি। প্রায়ই দেখা যায়, ভালো কাজ করলেই একটি পক্ষ অভিযোগ করে বসে। তারা ঘায়েল করার চেষ্টা করে। এগুলো থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে।’

সিলেট জেলার এসপি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, ভালো কাজ করলে বদনাম হবে, এটাই স্বাভাবিক। এতে কিছু করার নেই। নামে-বেনামে আমার নামে একাধিক অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এগুলোর কোনো সত্যতা নেই। টাকা নিয়ে কাউকে পোস্টিং দিয়েছি প্রমাণ করতে পারলে চাকরি ছেড়ে চলে যাব। বছরখানেক আগে আমার জেলায় ১৫৬ জন কনস্টেবল, এএসআই ও এসআই পদোন্নতি পেয়েছিল। লটারির মাধ্যমে তাদের পোস্টিং দিয়েছি। এতে কি আমার দোষ হয়েছে, আপনিই বলেন? কোনো সহকর্মী আমার নামে অভিযোগ দিতে পারে না। যে এসআইয়ের নাম এসেছে তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। সে কিছু জানে না বলে আমাকে জানায়। তার নাম ব্যবহার করে একটি চক্র আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়। আপনি এলাকায় খোঁজ নিতে পারেন, কেউ বলতে পারবে না এসপি কারও সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছে বা টাকা খাচ্ছে। সততা ও নিষ্ঠা নিয়েই কাজ করছি; করে যাব। তবে এ বিষয়ে কথা বলতে ভোলার এসপি মোকতার হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার টেলিফোনে যোগাযোগ করেও সাড়া পাওয়া যায়নি।

ওই ১৫৩ পুলিশ সদস্যের নামের তালিকা ও অপরাধের অভিযোগসহ বিস্তারিত তথ্য পাঠিয়ে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গত ১০ এপ্রিল পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) কাছে প্রতিবেদন পাঠিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সিনিয়র সহকারী সচিব খাদিজা তাহেরা ববি স্বাক্ষরিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কোন ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাও জানাতে হবে মন্ত্রণালয়কে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আইজিপি ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী  বলেন, যারা আইনের পোশাক পরে অপরাধ করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে আছি। কাউকে ছাড় দেওয়ার সুযোগ নেই। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আসছে, তদন্ত করে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ফেনীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফি হত্যাকা-ের পর পুুলিশের যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ফেনীর এসপিকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স দেখাচ্ছি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট শাখাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, নানারকম অপরাধ কর্মকা-ে জড়িয়ে পড়ছে পুলিশের কিছু সদস্য। পেশাদার অপরাধীর মতোই মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে তারা। পুলিশের পোশাক পরেই করছে এসব অপকর্ম। মাঝেমধ্যে ধরা পড়ছে দু-চারজন, বাকিরা থাকছে ধরাছোঁয়ার বাইরে। অসাধু এসব পুলিশ সদস্যের আচরণ পুরো বাহিনীকে ইমেজ সংকটে ফেলছে। এসব অপকর্মে জড়িতদের কাউকে কাউকে শাস্তিমূলক বদলি করা হলেও তা ‘আইওয়াশ’ বলে মনে করছেন অপরাধ বিশ্লেষকরা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাগুলোর ‘পুলিশি’ তদন্তে কমিটি হলেও বেশিরভাগই আলোর মুখ দেখতে পায় না।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বিভিন্নœ মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সংস্থা ও ব্যক্তির কাছ থেকে পুলিশের বিরুদ্ধে এ মন্ত্রণালয়ে প্রাপ্ত অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। অদ্যাবদি উল্লিখিত অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ অধিদপ্তর কর্তৃক সর্বশেষ গৃহীত ব্যবস্থা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়নি। যার পরিপ্রেক্ষিতে উল্লিখিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সর্বশেষ গৃহীত কার্যক্রম প্রত্যাশী মন্ত্রণালয়, দপ্তর-সংস্থা ও ব্যক্তিকে জানানো সম্ভব হচ্ছে না বিধায় বিষয়গুলো অনিষ্পন্ন অবস্থায় রয়েছে। আর এই কারণে গৃহীত কার্যক্রম জরুরি ভিত্তিতে অবহিত করতে বলা হয়েছে।’

প্রতিবেদন পাওয়ার পর পুলিশ সদর দপ্তর ‘নড়েচড়ে বসেছে’ বলে শৃঙ্খলা শাখার এক কর্মকর্তা দেশ রূপান্তরকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঈদের পর কার কার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বা নেওয়া হয়নিÑ তা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। এরই মধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি। তাদের বিরুদ্ধে জোর করে অর্থ আদায়, জমি দখল, মাদক পাচার, পরকীয়া, ঘুষের বিনিময়ে পোস্টিং বাণিজ্য, টাকা না পেয়ে গ্রেপ্তারের হুমকি, যানবাহন আটকে অর্থ আদায়, সহকর্মীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগ আছে। তাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সুপার, এডিশনাল পুলিশ সুপার, থানার ওসি, ইন্সপেক্টর, এসআই ও কনস্টেবলের নাম আছে। তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা-১৯৮৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

প্রতিবেদনে যাদের নাম আছে : বেনাপোল ইমিগ্রেশনের কনস্টেবল দেবপ্রসাদ সাহা, সিএমপির ট্রাফিক সার্জেন্ট সরোয়ার মো. পারভেজ ও সার্জেন্ট মামুনুল হক, ডিএমপির ইন্সপেক্টর মোক্তার হোসেন, যশোর সদর থানার এসআই তপন কুমার বিশ^াস, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার ওসি শাহ মঞ্জুর কাদের, লক্ষ্মীপুর জেলার এসআই জাকারিয়া, বরিশাল মডেল থানার ওসি আওলাদ হোসেন মামুন, টেকনাফ সদর থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাস, রাজাপুর থানার ওসি গিয়াসউদ্দিন, সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম, সিলেট জেলার এসপি মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, রাজৈর থানার এএসআই মোহাম্মদ আলী, ডিএমপির এসি ট্রাফিক আশরাফ উল্লাহ, চট্টগ্রামের চকবাজার থানার এসআই আবুল কালাম, রাজশাহী সদরের ইন্সপেক্টর হীরেন্দ্রনাথ প্রামাণিক, চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানার এসআই এনামুল হক, মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর থানার ওসি, সিএমপির ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, পুলিশ সদর দপ্তরের কম্পিউটার অপারেটর সুলতানা রাজিয়া, চট্টগ্রামের হালিশহর থানার ওসি মাহফুজুর রহমান, পিবিআইর (রাজশাহী) ইন্সপেক্টর মোস্তফা, দিনাজপুরের চিরিরবন্দর থানার এসআই আজাহার আলী, রাজশাহীর বাগমারা থানার ওসি নাসিম, ঢাকা রেঞ্জের এসআই আশিকুর রহমান, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম, সাভার স্মৃতিসৌধ ফাঁড়ির ইনচার্জ এএসআই আবুল হোসেন, ডিএমপির ইন্সপেক্টর শেখ মো. সিরাজ, ডিএমপির টিএসআই শেখ আছিয়ার রহমান, ভাষানটেক থানার এসআই জহির রায়হান, চাঁদপুরের মতলব উত্তর থানার ওসি মাহবুবুর রহমান ও ইন্সপেক্টর শওকত, হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই সুদীপ রায়, বরগুনা সদর থানার ওসি আলমগীর হোসেন, দিনাজপুর জেলার কনস্টেবল আবুল বাশার প্রামাণিক, ভোলার লালমোহন থানার এসআই মোশারফ হোসেন, নোয়াখালীর হাতিয়া থানার এসআই দুলাল বড়–য়া, ঝিনাইদহের হরিণাকু- থানার ওসি মাহতাবউদ্দিন, এসআই অমর বাবু, এসআই সাখাওয়াত, এসআই আজাদ, সিআইডি ঢাকার এসআই মোস্তাক ও এএসআই শাওন বিশ^াস, সাতক্ষীরার তালা থানার ইন্সপেক্টর মঞ্জুরুল হাসান মাসুদ, ডিএমপির এসআই শাহআলম, কাঁচপুর হাইওয়ে থানার সার্জেন্ট রাজিব বাহাদুর, শাহরাস্তি থানার এএসপি সোহেল পারভেজ, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের এসআই মজনু মোল্লা, ভোলার এসপি মোকতার হোসেন, নারায়ণগঞ্জের এএসপি লেমন রায়, গৌরীপুর থানার এসআই মিজানুর রহমান, ডিএমপির কনস্টেবল আরিফুল, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার এসআই রতন, মানিকগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত এসপি আবদুল আওয়াল ও সার্কেল পরিচালক চৌধুরী আসিফ, বরগুনার তালতলী থানার ওসি কমলেশ চন্দ্র হালদার, সিএমপির ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নজরুল ইসলাম, চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার ওসি আলমগীর হোসেন, ডিএমপির পল্লবী থানার ওসি (বর্তমান মিরপুর) দাদন ফকির ও এসআই বিল্লাল হোসেন, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর থানার এসআই সাইফুল ও শামীম, ডিএমপির এসআই জিয়াউদ্দিন, মাদারীপুরের রাজৈর থানার ওসি জিয়াউল ও এসআই মাসুদ বিল্লাহ, সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থানার ওসি সুবির দত্ত, রাজবাড়ীর আহলাদিপুর হাইওয়ে থানার ওসি নবীর হোসেন, চট্টগ্রামের বোয়ালমারী থানার ওসি হিমাংশু কুমার দাস ও এসআই আরিফুর রহমান, ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার (বর্তমানে কুমিল্লার এসপি) নুুরুল ইসলাম, ডিএমপির কনস্টেবল আল আমিন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত এসপি মসিউদৌল্লাহ, খুলনার আরআরএফের কনস্টেবল সৈয়দ শরিফুল ইসলাম, গাজীপুর মহানগর পুলিশের এসআই শাহিন মোল্লা, টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন, সাবেক ওসি আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ সদর দপ্তরের এএসআই মিজানুর রহমান, সিআইডির এসআই মেরাজুল হক, রেজাউল ও জুয়েল, চট্টগ্রামের পটিয়া থানার ওসি নেয়ামত উল্লাহ, কক্সবাজারের হিমছড়ি পুলিশ ফাঁড়ির সাবেক ইনচার্জ ইন্সপেক্টর মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সিএমপির বদরুদোজ্জা মাহমুদ, সিলেটের গোয়াইনঘাট থানার এসআই নাছিরউদ্দিন, পিবিআইর (টাঙ্গাইল) এসআই সুমন মিয়া, পুলিশ সদর দপ্তরের কনস্টেবল পারুল আক্তার, কক্সবাজারের কুতুবদিয়া থানার এসআই আতিক ও এএসআই সজল কান্তি বড়–য়া, ডিএমপির এসআই ওহিদুর রহমান, গাজীপুরের এএসআই নজরুল ইসলাম, পিবিআইর ইন্সপেক্টর আমজাদ তালুকদার, মৌলভীবাজার থানার ওসি সোহেল আহম্মেদ ও এসআই এমরান হোসেন, কক্সবাজার থানার ওসি ফরিদউদ্দিন ও এসআই দেলোয়ার হোসেন, পিবিআইর (বরিশাল) এসআই তুষার, গোপালগঞ্জের এসআই নওয়াব আলী, রংপুরের ডিঅ্যান্ডপিএসের ইন্সপেক্টর তরিকুল ইসলাম, ডিএমপির এসআই ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ, চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানার ওসি আলমগীর হোসেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার এসআই নজরুল ইসলাম, এসবির (ঢাকা) এএসআই মাইনুল ইসলাম, মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার ইন্সপেক্টর বিনয় ভূষণ ও এসআই খসরুল আলম বাদল, ৫ম এপিবিএনের নায়েক দ্বীন ইসলাম, ডিএমপির এসআই আবু হানিফ ও এএসআই নুরুল ইসলাম, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থানার এসআই মামুনুর রশীদ, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নায়েক ভানুরঞ্জন বীর, ৪ এপিবিএনের (বগুড়া) এসআই আবদুল আজিজ ও এএসআই সোলায়মান, গোপালগঞ্জ সদর থানার কনস্টেবল ফারুক হোসেন, ডিএমপির এসআই আবু হানিফ ও এএসআই নুরুল ইসলাম, কক্সবাজারের এসআই তৈমুর আলম, মাদারীপুরের কালকিনি থানার এসআই অমুল ও এসআই সজীব, যশোরের মনিরামপুর থানার ওসি, সিএমপির সার্জেন্ট আনোয়ারুল, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর কাশেম, ট্রাফিক সুভাষ চন্দ্র দে, শরীয়তপুরের ডামুড্যা থানার ওসি মাহবুবুর রহমান, ডিএমপির ইন্সপেক্টর কামরুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থানার ওসি মনিরুজ্জামান, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী থানার ওসি খন্দকার ফুয়াদ রুহানী, পার্বতীপুর থানার ওসি মোস্তাক আহমেদ, গাইবান্ধার কনস্টেবল আরিফুর রহমান, আশুগঞ্জ থানার ওসি বদরুল আলম, কক্সবাজারের চকরিয়া থানার এসআই শাহাদৎ হোসেন প্রমুখ।