ঢাকা বৃহঃস্পতিবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৯ই ফাল্গুন ১৪২৬


চাকরির আবেদন ফি কমানোর দাবিতে উত্তাল


২৯ জানুয়ারী ২০২০ ১৪:৪৭

আপডেট:
২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১১:২২

 সব ধরণের চাকরির আবেদন ফি কমানোর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

এ দাবিতে বুধবার সকাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি রাজু ভাস্কর্যে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছেন তারা।

এতে সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। |আরো খবর চাকরি ছেড়ে পুলিশের পোষাকে ছিনতাই-অপহরণ সরকারি চাকরিতে কোটা বন্টন পদ্ধতি স্পষ্টীকরণ বেতন বাড়াতে ফের আন্দোলনে সরকারি চাকরিজীবীরা!

জানা গেছে, চাকরির আবেদন ফি চারতি স্তরে রাখার দাবিতে এ আন্দোলনের ডাক দেয়া হয়েছে। এরমধ্যে ৯ম গ্রেডের জন্য আবেদন ফি ২০০ টাকা, ১০ম গ্রেডের জন্য আবেদন ফি ১৫০ টাকা, ১১ থেকে ১৪তম গ্রেডের জন্য আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা এবং ১৫ থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য আবেদন ফি সর্বোচ্চ ১০০ টাকা নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচির ডাক দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, অনেক চাকরির আবেদনে দেড় হাজার টাকা পর্যন্ত নেয়া হচ্ছে।

যা বেকার চাকরিপ্রার্থীদের অনেকের দেয়ার সামর্থ্য নেই। তারা বলেন, সবার জন্য যাতে আবেদনের সুযোগ তৈরি হয়, সেজন্য অবশ্যই চাকরির আবেদন ফি কমাতে হবে। অন্যথায় বৈষম্য তৈরি হচ্ছে।

যারা বিত্তশালী তারা আবেদন করতে পারছেন, অন্যরা টাকার অভাবে আবেদন করা থেকে বঞ্চিত থেকে যাচ্ছে।

এর আগে সাধারণ শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে চাকরিতে আবেদন ফি কমানোর দাবিতে শিগগিরই আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ।

গত সোমবার রাত আটটায় সাধারণ ছাত্র পরিষদের ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করে বিষয়টি জানান সংগঠনটির যুগ্ম আহবায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান।

জানতে চাইলে রাশেদ বলেন, ‘সাধারণ ছাত্র পরিষদ সব সময় সাধারণ মানুষ এবং শিক্ষার্থীদের সুবিধা-অসুবিধার কথা চিন্তা করে। যারা সরকারি চাকরি খুঁজছেন তারা বেশিরভাগই টিউশনি করে চলেন।

এই টিউশনির টাকা দিয়ে তারা বিভিন্ন যায়গায় চাকরির আবেদন করেন। কিন্তু চাকরিতে আবেদনের ফি বেশি হওয়ায় তারা সব চাকরিতে আবেদন করতে পারেন না।

আবার আবেদন করতে গিয়ে নিজেদের থাকা-খাওয়ার খরচ যোগতে হিমশিম খান।’ দেশের অনেকেই তাদের এই সমস্যার কথা বলেছেন জানিয়ে রাশেদ বলেন, ‘অনেকের টিউশনির পুরো টাকা শুধু আবেদনের পেছনেই খরচ হয়। আমাদের সাথে অনেকেই যোগাযোগ করেছেন। তারা তাদের কষ্টের কথা জানিয়েছেন। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে আমরা আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’